নারায়ণগঞ্জ বার্তা ২৪ : নারায়ণগঞ্জ সহ সকল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামীকাল ৯ই এপ্রিল শুক্রবার থেকে ৮ ঘণ্টার জন্য খোলা থাকবে মার্কেট ও দোকান–পাট দেশের সিটি এলাকাগুলোতে গণপরিবহনের পর এবার সীমিত পরিসরে শপিংমল খুলে দেয়ার সিন্ধান্ত নিয়েছেন সরকার।
কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মানা সাপেক্ষে চলমান বিধিনিষেধের মধ্যে ৯ই এপ্রিল শুক্রবার থেকে শপিংমল ও দোকান সকাল ৯টা হতে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এই নির্দেশনা দিয়ে ৮ই এপ্রিল বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সকল মন্ত্রণালয়ের সচিব/সিনিয়র সচিবদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আগামী ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়।
করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে শর্তসাপেক্ষে সার্বিক কার্যাবলী/চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় নতুন এই নির্দেশনা জারি করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, আগামী ৯ থেকে ১৩ এপ্রিল সকাল ৯টা হতে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কঠোর স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন সাপেক্ষে দোকান–পাট ও মার্কেট খোলা রাখা যাবে। তবে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন না করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোভিড–১৯–এর টিকাদান কার্যক্রম যথারীতি চলমান থাকবে। এমতাবস্থায় উল্লিখিত বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সব সচিব/সিনিয়র সচিবদের অনুরোধ জানানো হয়েছে চিঠিতে।
এর আগে করোনাভাইরাসের (কোভিড–১৯) সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় গত ৫ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ জারি করে সরকার। এই বিধিনিষেধের মেয়াদ শেষ হবে ১১ এপ্রিল রাত ১২টায়। বিধিনিষেধের মধ্যে পালনের জন্য ১১টি নির্দেশনা দেয়া হয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ৪ এপ্রিল জারি করা প্রজ্ঞাপনে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, শপিংমলসহ অন্যান্য দোকানপাট বন্ধ থাকবে। তবে দোকান, পাইকারি ও খুচরা পণ্য অনলাইনের মাধ্যমে কেনাবেচা করতে পারবে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই সর্বাবস্থায় কর্মচারীদের মধ্যে আবশ্যিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং কোনো ক্রেতা সশরীরে যেতে পারবে না।
প্রসঙ্গত, এর আগে গত ৬ই এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে স্বাস্থবিধি মানবো দোকানপাট খুলবো এমন বিভিন্ন স্লোগানকে সামনে রেখে দোকান খুলে দেয়ার দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে নারায়ণগঞ্জের বস্ত্র ব্যবসায়ী ও সকল রেডিমেট দোকান মালিক ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা। এ সময় অবিলম্বে দোকান খোলার অনুমতি না দিলে, নিজেরাই নিজেদের মতো করে দোকান খোলা রাখবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।



