নারায়ণগঞ্জ বার্তা ২৪ (শিপু) : রিকশা চালাতে কষ্ট হয় তবুও চালাই, মায়ের কথা মনে হলেও কষ্ট হয় না। মায়ের শরীর দুর্বল, কানে কম শোনে, হার্টের সমস্যা তাই মাকে কাজ করতে দেইনা জানালেন প্রচন্ড গরমে ঘাম ঝড়ানো শরীর নিয়ে ১২ বছর বয়সের রিকশা চালক আকাশ। ২৫ এপ্রিল সোমবার বন্দর থানার সামনে যাত্রী নিয়ে আসলে দেখা মিলে এই কঠোর পরিশ্রমী শিশু রিকশা চাললকটির। আকাশ বন্দর রেল লাইন এলাকার জালাল কসাইর রিকসার গেরেজের নিয়মিত রিকসা চালক। আকাশের মা শুকুরি বানু পাঁচ সন্তানের বরন পোষনের জন্য হাড় ভাংগা পরিশ্রম করে। এখন খাবার ও চিকিৎসার অভাবে মৃত্যর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। তাই নিরলশ পরিশ্রমের অংশীদার এখন আকাশ।
নারায়ণগঞ্জ বার্তা ২৪ এর প্রতিবেদককে আকাশ জানায় ছোট বেলায় বাবা আরেক বিয়ে করে আমাদের পাঁচ ভাই-বোনকে ফেলে চলে গেছে। মা পরের বাসায় কাজ করে আমার বড় বোনদের বিয়ে দিয়েছে। এখন মা অসুস্থ তাই তাকে কাজ করতে দেই না। পরিবারের বড় ছেলে বলেই সংসারের দায়িত্ব আমাকে নিতে হয়। আমি ছোট মানুষ অন্য কাজ করে যে টাকা পাবো তা দিয়ে সংসার চালাতে পারবো না সংসারে খরচ বেশি মায়ের ঔষধ থেকে শুরু করে সব খরচ চালাতে হয়। রিকসা চালাইলে প্রতিদিন ৬ থেকে ৭ শত টাকা আসে। মালিককে ৩ শত টাকা দিতে হয়। রিকশা চালাতে কষ্ট হয় প্রচুর, গরম কুলাতে পারিনা, আবার রাস্তাও ভালো না। কিন্তু মায়ের কষ্টের কথা মনে হলে না চালিয়ে পারিনা।

