নারায়ণগঞ্জ বার্তা ২৪ ( প্রবাস ডেস্ক ) : রিক্রুটিং এজেন্সীর প্রতারণার শিকার হয়ে সৌদি আরবের বাংলাদেশ দূতাবাসে আশ্রয় নিয়েছেন ২০ বাংলাদেশি। এজেন্সির চুক্তি অনুযায়ী কাজ না দিয়ে, বিনা বেতনে অন্য প্রতিষ্ঠানে কাজ করানোর অভিযোগ করেন তারা। সম্বল হারানো এসব বাংলাদেশি এখন অনিশ্চিতভাবে দিন কাটাচ্ছেন। এ বিষয়ে সৌদি আরবের বাংলাদেশ দূতাবাস জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে। একইসঙ্গে তাদের যাবতীয় খরচ বহন করছে বাংলাদেশ দূতাবাস।
নিজেদের শেষ সম্বলটুকু বিক্রি করে, সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন এসব বাংলাদেশি। কিন্তু রিক্রুটিং এজেন্সীর প্রতারণায় তাদের ঠাঁই হয়েছে দূতাবাসের ভবনের পেছনের খোলা আকাশের নিচে। তাদের অভিযোগ, এজেন্সীকে চাহিদামত টাকা দিলেও মেলেনি প্রত্যাশিত কাজ।
এমনকি সাময়িকভাবে যেসব কোম্পানীতে কাজের ব্যবস্থা করা হয়, সেখান থেকেও দেওয়া হয়নি মাসিক বেতন।একজন বলেন, গত দুই মাসে তাবুক যাওয়ার কথা বলে বাংলাদেশে চলে গেছে আমাদের সেই দালাল। আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নাই। আমরা যে বাসায় ছিলাম, ওখানে দুই মাসের ভাড়া বাকি রয়ে গিয়েছিলো। আমাদেরকে বলা হয়েছিলো, ভাড়া না দিলে বাসা থেকে বের হয়ে যেতে হবে।
ভুক্তভোগীরা জানান, বাংলাদেশ থেকে অপরাজিত ওভারসিস, ফালাহ ইন্টারন্যাশনাল, আহমদ আল আমিন লিমিটেড, এক্সিলেন্ট ওভারসিজ এবং বিনিময় ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে তারা সৌদি আরব যান। প্রত্যেকের কাছ থেকে নেওয়া হয় সাড়ে চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী তাদের কাজ না দিয়ে নানা রকম হুমকি দেওয়া হয়। এরপর উপায় না পেয়ে রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসে আশ্রয় নেন তারা।
একজন ভুক্তভোগী বলেন, কাজ না পেয়ে আমরা দূতাবাসে আশ্রয় নিয়েছি। এর আগে ৫ দিন তো আমরা খোলা আকাশের নিচে ছিলাম।
আরেকজন বলেন, দালাল আমাদের পাসপোর্ট নিয়ে গেছে। দেয়ার কথা বলে ১১ মাস ঘুরিয়েছে। কিন্তু এখনও কোনো কাজকর্ম দেয়া হয়নি। তবে এবিষয়ে জড়িত রিক্রুটিং এজেন্সীর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস।
সূত্র : ইনিউজ ৭১

