নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা বিশেষ সংবাদ সদ্যপ্রাপ্ত সর্বশেষ সংবাদ

নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে ভাংচুর, ভোগান্তির শিকার প্রবাসীকে আটক ও মারধর

নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে ভাংচুর, ভোগান্তির শিকার প্রবাসীকে আটক ও মারধর
Written by SOFT PRO IT

নারায়ণগঞ্জ বার্তা ২৪ (স্টাফ রিপোর্টার) : নারায়ণগঞ্জের পাসপোর্ট অফিসে শিশু সন্তানের পাসপোর্ট এর আবেদন করতে গিয়ে বাকবিতন্ডার একপার্যায়ে ভাংচুরের অভিযোগে কানাডা প্রবাসীকে আটক করা হয়েছে। অপরদিকে অভিযুক্ত প্রবাসী আজমল হোসেনকে পাসপোর্ট কর্মকর্তারা মারধর করেছে বলেও অভিযোগ তোলেছে প্রবাসী আজমল। সে শহরের চাষাড়া এলাকার বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা খাজা হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় অফিস সহকারী মহসিন ইসলাম ও অভিযুক্ত প্রবাসী আজমল হোসেন উভয়ই আহত হয়।

রবিবার (১৫ নভেম্বর) দুুপরে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড সংলগ্ন রগুনাথপুর এলাকায় নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নব-নির্মিত নিজস্ব ভবনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ আজমল হোসেন কে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে। এদিকে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা বাদি হয়ে প্রবাসীর বিরুদ্ধে ভাংচুরের অভিযোগ এনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতী চলছে বলে জানিয়েছে ফতুল্লা মডেল থানা অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) আসলাম হোসেন।

আহত অফিস সহকারী মহসিন ইসলাম জানান, কানাডা প্রবাসী আজমল হোসেন পাসপোর্টের কাগজপত্র জমা দেন। কিন্তু টাকা জমা দেয়ার ব্যাংক রশিদ, কাগজপত্র সত্যায়িত ছিল না। স্ত্রী ও বাচ্চার কাগজের সমস্যা ছিল। তাকে রোহিঙ্গা যাচাইয়ের জন্য ফিঙ্গার প্রিন্টের জায়গা নিতে আমার ডেস্কের সামনে আসলে কথাকাটাকাটির মধ্যেই তিনি আমাকে হুমকি ধামকি দেন। স্থানীয় পাওয়ার দেখিয়ে একপর্যায়ে গ্লাসে আঘাত করে ভেঙ্গে ফেলে।

তবে অভিযুক্ত প্রবাসী আজমল হোসেন এর দাবী, সে একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। বিগত একমাস ধরেই কাগজ নিয়ে আসা যাওয়া করছে কিন্তু ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। তার শিশু সন্তানের নিমুনিয়া হওয়ায় প্রবাসী আজমল তার সাথে কানাডা নিয়ে যেতে চায়। আজ পাসপোর্ট অফিসে তার অন্যান্য কাগজগুলি জমা দেয়ার সময় অফিস সহকারী মহসিন ইসলাম অশোভন আচরণ করে এবং কাগজ ছুড়ে ফেলে দেন। এতে প্রবাসী আজমল ক্ষিপ্ত হোন।  এছাড়াও এ ঘটনার পর পাসপোর্ট অফিসের কয়েকজন মিলে তাকে বেধরক মারধর করে শার্ট ছিড়ে ফেলেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসেপার্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মাহামুদুল হাসান জানান, আজমল হোসেন এর কাগজপত্রগুলো সত্যায়িত করা ছিল না। তাকে সত্যায়িত করে দেয়ার কথা বললে এ নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে  ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়া কাউন্টারের কয়েকটি গ্লাস ভেঙ্গে ফেলে সে। কিন্তু সরকারী জিনিসপত্র ভাঙ্গবে তা মেনে নেয়া যায় না। আমরা তার প্রতিকার চাই। আমরা তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

About the author

SOFT PRO IT