নারায়ণগঞ্জ বার্তা ২৪ ( নগর সংবাদ দাতা ) : নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল কাদিরের বিরুদ্ধে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখলের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও জোরপুর্বক অন্যের প্রতিষ্ঠানের সামনে মালামাল রেখে ম্যানেজারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে দোকানে প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করেছেন বলে দাবী ভুক্তভোগীর। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৮ টার সময় নিতাইগঞ্জের আর, কে দাস রোড, ১৪/১৫, আজমীর ট্রেডিং এর সামনে এ ঘটনাটি ঘটেছে । তবে এ অভিযোগ সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন আব্দুল কাদির। অবৈধভাবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখলের বিষয় জানতে চাইলে সংবাদকর্মীকে আব্দুল কাদির বলেন, আমার জায়গাতেই আমি মালামাল রেখেছি। আমি তার কাছে টাকা পাবো। এই বাড়ির মালিক তো আমি।
এদিকে ভুক্তভোগী আজমীর ট্রেডিংয়ের মালিক আব্দুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, আব্দুল কাদির সাহেব তার ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। আমার পজিশনে নেয়া চুক্তিবদ্ধ দোকানের সামনে অবৈধভাবে দখলবাজী চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু কারও কথায় তোয়াক্কা করছেন না। আমার দোকানের ম্যানেজার দোকান খূলতে বাধা পাওয়ায় প্রতিবাদ জানালে, কাদির সাহেব বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী বাহিনীর মাধ্যমে হুমকি প্রদান করে ম্যানেজারকে। তিনি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর বোনজামাই এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা আয়ামীলগের সহ সভাপতি ও যুবলীগ সভাপতি হওয়ার সুবাদে বিভিন্নসময়ই প্রভাব খাটিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি আরো বলেন, আমি ২০০৪ সালে ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে পজিশন খরিদ করি। এবং সেটা জুডিশিয়াল স্টাম্পের মাধ্যমে তার কাছ থেকে দলিল করি। এবং সে আমার কাছথেকে নিয়মিত ভাড়া গ্রহণ করে। সে দীর্ঘদিন আমার থেকে ভাড়া নেওয়ার পরেও অধিক টাকা পাওয়ার লোভে, হঠাৎ ২০১২ সালে আমার দোকানের ভাড়া নেয়া বন্ধ করে দেয়। পরে আমি আইনের আশ্রয় নেই। তারপর থেকে আমার দোকানের ভাড়ার টাকা নিয়মিত আদালতের মামলার নিয়ম অনুযায়ী আইনিভাবে পরিশোধ করে থাকি। মামলায় আদালত আমার পক্ষে তিনটি রায় দেয়। মামলাটি উচ্চ আদালত হাইকোর্টে চলমান রয়েছে। সে আদালতকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে বিভিন্ন সময় হুমকি-ধমকি সহ প্রতিষ্ঠানটি জবরদখল করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। তার দোকানের মালামাল নিয়ে আমার দোকানের সামনে অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে।
অন্যদিকে আজমীর ট্রেডিংয়ের সামনে মালামাল রাখা নিয়ে জানতে চাইলে সেখানে অবস্থানরত আব্দুল কাদিরের কর্মচারী মো. শাহিন সংবাদকর্মীকে জানান, তার মালিক আব্দুল কদিরের অর্ডার নিয়েই এখানে মালামাল রাখা হয়েছে।

