নারায়ণগঞ্জ সদর

নারায়ণগঞ্জে লকডাউন উপেক্ষা করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

পিঠা বিক্রি ও কিস্তি’র টাকায় তিলে তিলে গড়ে উঠা মুদি দোকানটি এখন পুড়ে ছাই। দোকানটি না থাকলেও আছে রিপনের মায়ের বুক ফাটা কান্না। নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার তিনগাঁও এলাকায় এ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৪টি দোকানের মালামাল এবং নগদ টাকা পুড়ে ছাই হয়ে তারা এখন দিশেহারা। করোনা প্রাদুর্ভাবের এমন পরিস্তিতিতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধি আশ্বাস দিলেও কেউই এগিয়ে আসেনি এমন অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। দোকান মালিকেরা জানায়, পাশে থাকা অবৈধ পেট্রোল ও ডিজেলের দোকানের মালিক শরিফ উল্লাহর প্রতিষ্ঠান থেকে আগুন লেগেছে। অনেকবার সতর্ক করলেও তারা এসব জ¦ালানী সরঞ্জাম অন্যত্রে সরিয়ে নেননি। বরং স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে বীরদর্পে পূণরায় স্থাপন করেছে সেই জ¦ালানী সরঞ্জামের অবৈধ দোকান। এতে ক্ষুব্দ ভুক্তভোগী দোকান মালিকসহ স্থানীয়রা। জানা গেছে, অগ্নিকান্ডের ফলে দোকানী নার্গিস সহ ঔষধের দোকানের মালিক মো. মনির হোসেন, কাঁচামালের দোকানের মালিক আলীম উদ্দিন, মুদি দোকানী মো. রিপন সহ মুরগির দোকানের মালিক ছমির উদ্দিন এখনও তাদের ক্ষতিগ্রস্থ দোকানগুলো অর্থের অভাবে পূণরায় নির্মাণ করতে পারেনি। তাছাড়া পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর সময় পার করছে তারা। এনিয়ে এক দোকান মালিক হোসেন জানায়, বন্দরের মধ্যে আমি একমাত্র সারের ডিলার । আগুনে পোড়ার পর স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বার সহযোগীতহার আশ্বাস দিলেও পরে কেউ কোন খোজ খবর নেয় নি। আমরা খুব কষ্টে আছি। দোকানে প্রায় ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়ে গেছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বন্দর থানার তন্দকারী কর্মকর্তা এস আই আনোয়ার জানান, ফায়ার সার্ভিসের সার্টিফিকেট পেলে আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি। তবে গরীব মানুষগুলোর যে ক্ষতি হয়েছে তার একটি ক্ষতিপূরন তারা পাবে।
Written by SOFT PRO IT

নারায়ণগঞ্জ বার্তা ২৪ : নারায়ণগঞ্জে লকডাউন উপেক্ষা করে বকেয়া বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শ্রমিকরা। শনিবার ( ১৮ এপ্রিল) দুপুরে উকিলপাড়ায় বঙ্গবন্ধু সড়কস্থ স্বপ্ননীড় ফাতেমা পয়েন্টে পুলিশ লাইন এলাকায় অবস্থিত জি ডি এল নামক এক কারখানার শ্রমিকরা এ বিক্ষোভ কর্মসূচী করে। এরপর চাষাড়া মূল সড়কেও অবস্থান নেয়, পরে পুলিশ এসে মালিক পক্ষের সাথে কথা বলে বেতন পরিশোধের আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

বিক্ষোভরত শ্রমিকরা জানান, এপ্রিলে আজকে ১৮ তারিখ কিন্তু আমাদের তিন শতাধিক শ্রমিকের এখনও মার্চসহ দুই মাসের বেতন বাকি। আমরা বেতন নিতে ৫ এপ্রিল, ১৬ এপ্রিল কারখানায় যাই কিন্তু আমাদের বেতন না দিয়ে ফিরিয়ে দেয়া হয়। এখন কারখানা কর্তৃপক্ষ আমাদের কোনো কিছু বলছেও না। আমরা এমনিতেই এই করোনা ভাইরাসের কারণে দুর্বিসহ জীবন যাপন করছি। তারওপর বেতন পরিশোধ নিয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের তালবাহানা আমরা এখন কোথায় যাব?

এ সমস্যার দ্রুত সমাধান করা হবে বলে জানিয়ে জি ডি এল কারখানার মালিক মজিবুল হক জানান, আসলে দুই মাস নয় দেড় মাসের বেতন বাকি। এ ব্যাপারে বিএকএমই’র সাথে আমার কথা হয়েছে। দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান করা হবে।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, ফতুল্লার একটি কারখানা শ্রমিকরা উকিলপাড়ায় একটি বাসার সামনে বিক্ষোভ করছিলো। সেখানে পুলিশ গিয়ে জানতে পারে দুই না তিন মাসের বেতনের দাবিতে মালিকের সামনে তারা বিক্ষোভ করছে। পরে মালিকের সাথে কথা বললে সে বেতন পরিশোধের আশ্বাস দিলে শ্রমিকদের বুঝিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হয়।

About the author

SOFT PRO IT