প্রধান খবর সংবাদ শিরোনাম

করোনায় একদিনে ৬ মৃত্যু, আক্রান্ত বেড়ে ৪২৪

করোনায় আরও ১ জনের মৃত্যু, নকরোনায় আরও ১ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত-৬তুন আক্রান্ত-৬
Written by SOFT PRO IT

নারায়ণগঞ্জ বার্তা ২৪ (ডেস্ক রিপোর্ট) : শুক্রবার ১০ এপ্রিল  বেলা আড়াইটা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১ হাজার ১৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে আরও ৯৪ জনের মধ্যে ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। তাতে আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪২৪ জন। গত এক দিনে নতুন করে কারও সুস্থ হওয়ার খবর আসেনি। এখন পর্যন্ত মোট ৩৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির এই সবশেষ তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ৫ জন পুরুষ ও একজন নারী। তাদের মধ্যে দুজনের বয়স ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, দুজনের বয়স ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, একজন সত্তরোর্ধ্ব এবং একজনের বয়স ৯০ বছরের বেশি। মৃত এই ছয়জনের মধ্যে তিন জন ছিলেন ঢাকার বাসিন্দা, দুই জন নারায়ণগঞ্জের, অন্য একজন পটুয়াখালীর। নতুন করে আক্রান্ত ৯৪ জনের মধ্যে ৬৯ জন পুরুষ ও ২৫ জন নারী। তাদের ৩৭ জনই ঢাকার বাসিন্দা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫ জন যাত্রাবাড়ী এলাকার।

নারায়ণগঞ্জকে বলা হচ্ছে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের নতুন এপিসেন্টার, সেখানে আরও ১৬ জন নতুন রোগী পাওয়া গেছে। বাকিরা অন্যান জেলায়।নতুন আক্রান্তদের মধ্যে চারজনের বয়স ১০ বছরের নিচে, ৬ জনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে, ১২ জনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে, ২৯ জন ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, ১৬ জন ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ১৪ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এবং ১৩ জন ষাটোর্ধ্ব।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সানিয়া তহমিনা ব্রিফিংয়ে জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ১২৯৭টি নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা হয়েছে ১১৮৪ র। আগের দিনের তুলনায় নমুনা সংগ্রহ ৩১ শতাংশ বেড়েছে। ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষা বেড়েছে ১৮ শতাংশ।এই সময়ে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য ১ লাখ ২০ হাজার ৬৬০টি ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম-পিপিই সংগ্রহ করা হয়েছে, ৪১ হাজার ৫০০টি বিতরণ হয়েছে এবং ৪ লাখ ৯৮ হাজার ৭২টি পিপিই মজুদ রয়েছে।

মোট ১২ হাজার ৬০১ জন এখন হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন জানিয়ে অধ্যাপক তহমিনা বলেন, আমাদের যে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের ক্যাপাসিটি, সেটা আগের চেয়ে বেড়েছে। সারা দেশে সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের জন্য ৪৭০টি প্রতিষ্ঠানকে প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে কোয়ারেন্টিনের সেবা প্রদান করতে পারব ২৪ হাজার ৪৯২ জনকে।

About the author

SOFT PRO IT