নারায়ণগঞ্জ সদর সদ্যপ্রাপ্ত সর্বশেষ সংবাদ

ট্রিপল মার্ডার : ১০দি‌নের রিমান্ড আ‌বেদ‌নে আদাল‌তে আব্বাস‌

আদালতে ট্রিপল মার্ডারের বর্ণনা দিলেন ঘাতক আব্বাস
Written by SOFT PRO IT

নারায়ণগঞ্জ বার্তা ২৪ ( স্টাফ রির্পোটার ) : নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে নিজ বাসায় মা ও তার দুই মেয়েকে হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার আব্বাসকে আজ ২০ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দুপুরে আদালতে তোলা হবে । পুলিশ জানায়, দশদিনের রিমান্ড আবেদন জানিয়ে শুক্রবার দুপুরে, তাকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হবে।

এদিকে ১৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে সিদ্ধিরগঞ্জের সিআইখোলা এলাকার আনোয়ারের বাড়ির ৬তলা ভবনের ৬ তলার সুমন মিয়ার ফ্ল্যাট থেকে গলাকাটা অবস্থায় স্ত্রী নাজমিন (২৮), দুই মেয়ে নুসরাত (৮) ও খাদিজার (২) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় ঘাতক আব্বাসের মেয়ে এবং নিহত নাজমিনের ভাগ্নি সুমাইয়কে (১২) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার পর থেকে এই হত্যাকান্ডের হোতা হিসেবে নিহত নাজনিনের দুলাভাই আব্বাসকে সন্দেহ করে আসছিল স্বজন ও পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই  নিহত নাজমিনের ভগ্নিপতি ও আহত সুমাইয়ার বাবা আব্বাস পলাতক  ছিলো।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,  নিহত নাজমিনের স্বামী সুমন সানাড়পাড় এলাকায় জোনাকি পাম্প স্টেশনের চাকরী করে। ডিউটি শেষে সকালে সুমন বাসায় ফিরে দেখে স্ত্রী ও দুই কন্যার লাশ পড়ে আছে। পরে তার ডাক-চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এসে পুলিশকে খবর দেয়।

নিহতের ছোট ভাই হাসান জানান, আমার বড় বোনের স্বামী আব্বাস প্রায়ই মাদক সেবন করে এসে সকলকে মারধর করতো। ১৮ সেপ্টেম্বর বুধবার রাতে আমার ভাগ্নি আব্বাসের মেয়ে পালিয়ে আমার ছোটবোন নাজমিনের বাড়িতে আসে। তাকে নিতে এসেই সে আমার বোন নাজমিন ও তার দুই মেয়েকে গলাকেটে হত্যা করেছে। এছাড়া তার নিজের মেয়েকেও আহত করে।

এ ঘটনার খবর পেয়ে দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে নিহত নাজমিনের বোনের স্বামী আব্বাস এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। আব্বাসের সাথে তার স্ত্রী ইয়াসমিনের বিরোধ ছিল। ওই বিরোধের জের ধরে আব্বাসের শ্যালিকার বাসায় তার স্ত্রী চলে আসে। সে একটি গার্মেন্টে চাকরি করে। বৃহস্পতিবার সকালে সে কারখানায় চলে যায়। শ্যালিকার সঙ্গে আলাপকালে কোন বিরোধের জের ধরেই শ্যালিকা ও তার দুই মেয়েকে ছুরি দিয়ে জবাই করে হত্যা করে। আর আব্বাস তার প্রতিবন্ধী মেয়েকেও জখম করেছে। আমরা আব্বাসকে ধরতে অভিযান শুরু হয়েছে। এর কয়েক ঘন্টা পর আব্বাসকে গ্রেফতার করা হয়।

Share this news as a Photo Card

About the author

SOFT PRO IT

20 September 2019

ট্রিপল মার্ডার : ১০দি‌নের রিমান্ড আ‌বেদ‌নে আদাল‌তে আব্বাস‌

www.narayanganjbarta24.com