খেলা সদ্যপ্রাপ্ত সর্বশেষ সংবাদ

ডিপিএলে সুপার লিগ নিশ্চিত আবাহনী-রুপগঞ্জের

ডিপিএলে সুপার লিগ নিশ্চিত আবাহনী-রুপগঞ্জের
Written by SOFT PRO IT

নারায়ণগঞ্জ বার্তা ২৪ ( ডেস্ক রিপোর্ট ) : ডিপিএলে সুপার লিগ নিশ্চিত করলো আবাহনী ও লেজেন্ডস অব রুপগঞ্জ। মিরপুরে জহুরুলের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে প্রাইম দোলেশ্বরকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে আবাহনী। এ জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান অক্ষুন্ন রাখলো বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। অন্যম্যাচে, বিকেএসপিতে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের বিপক্ষে ৮ উইকেটের জয় পেয়েছে লেজেন্ডস অব রুপগঞ্জ। এছাড়া ফতুল্লায় উত্তরা স্পোর্টিংকে ৩৯ রানে হারিয়েছে খেলাঘর। যে ম্যাচটিতে হারের শঙ্কা ছিল আবাহনীর। ঠিক সেই ম্যাচটিতে জহুরুল ইসলাম ও সাইফুদ্দিনের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ৭ বল হাতে রেখে জিতে নিলো বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

মিরপুরের ব্যাটিং উইকেটে ২২৫ রানের লক্ষ্যটা খুব একটা বড় ছিল না আকাশী-নীল জার্সীধারিদের জন্য। তবে দোলেশ্বরের বোলাররা অনেকটা চাপে ফেলে দিয়েছিলেন আবাহনীকে। দলীয় ১৩৫ রানের মধ্যে ৬ উইকেটে হারিয়ে, হারের শঙ্কাতেই ছিল মোসাদ্দেক বাহিনী।তবে শেষ পর্যন্ত ওপেনার জহুরুলের অপরাজিত ৯১ ও সাইফুদ্দিনের ৫৫ রানের উপর ভর করে দারুণ এক জয় পায় আবাহনী।

এর আগে, সৌম্য ও মাশরাফির দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৯ উইকেটে ২২৪ রানের সংগ্রহ পায় প্রাইম দোলেশ্বর। দলের হয়ে ফরহাদ হোসেন ৪৭, তাইবুর ৪১ ও মার্শাল আইয়ুবের ব্যাট থেকে ৪০ রান। আবাহনীর হয়ে সৌম্য ৪টি ও মাশরাফি নেন ২টি উইকেট।

এদিকে, লিগ শুরু আগে টপ ফেবারিটদের কাতারে ছিল না লেজেন্ডস অব রুপগঞ্জ। অথচ সেই দলই জিতে চলছে একের পর এক ম্যাচ। এবার শেখ জামাল ধানমন্ডিকে ৮ উইকেটে হারিয়ে জয়ের ধারবাহিকতা বজায় রেখেছে রুপগঞ্জ।

বিকেএসপির উইকেটে বরাবরই রান একটু বেশি হলেও এদিন চিত্রটা ছিল একেবারেই ভিন্ন।টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ৭৬ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় শেখ জামাল। তবে দলপতি সোহান ও তানভীর হায়দার চেস্টা করেছেন ঘুরে দাঁড়াতে। তবে শেষ পর্যন্ত ১৪১ রানে গুটিয়ে যায় শেখ জামাল।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ফিরে যান ওপেনার মেহেদি মারুফ।তবে ম্যাচটি জিততে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি রুপগঞ্জের। দ্বিতীয় উইকেটে নাইম ও মুমিনুল হকের ৯৬ রানের জুটিতে জয়ের বন্দরে পৌছে যায় লেজেন্ডস অব রুপগঞ্জ।

এদিকে, ফতুল্লায় উত্তরা স্পোর্টিংকে ৩৯ রানে হারিয়েছে খেলাঘর।টস হেরে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারে ৪ উইকেটে ২৫৭ রানের পুঁজি পায় খেলাঘর। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৭ রান করেন মহিদুল ইসলাম অঙ্কন। জবাবে ৮ উইকেটে ২১৮ রান করতে সক্ষম হয় উত্তরা স্পোর্টিং ক্লাব।

About the author

SOFT PRO IT