নারায়ণগঞ্জ বার্তা ২৪ : নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে৷ সোমবার (৪ মার্চ) হাইকোর্টের এক নির্দেশে তাকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে৷
বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার কর্মকর্তা (ডিআইও-২) মো. সাজ্জাদ রোমন বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে৷ এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার প্রেস ব্রিফিং করবেন৷
জানা গেছে, মাদক চোরাচালানের সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে তাকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে৷ গত বছরের ৭ মার্চ নারায়ণগঞ্জ ডিবি পুলিশ সদর থানার এএসআই মোহাম্মদ সরওয়ার্দীর বাসা থেকে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ও পাঁচ লাখ টাকা উদ্ধার করে। পরে এ ঘটনায় মামলা হয়। ওই মামলার আসামি পুলিশ সদস্য আসাদুজ্জামান ও মোহাম্মদ সরওয়ার্দী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে বলেন, এটি তারা নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে করেছেন। তার নির্দেশেই টাকা ও ইয়াবা রেখে আসামিদের ছেড়ে দেয়া হয়।
এ বিষয়ে গত ২০ ফেব্রুয়ারি বিপুল পরিমাণ মাদক ও টাকাসহ ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া কনস্টেবল আসাদুজ্জামানের জামিন শুনানিকালে মাদক চোরাচালানের সাথে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম, পিপিএম এর সম্পৃক্ততায় বিস্ময় প্রকাশ করেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যের ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এই মাদক মামলার সাথে ওসি কামরুলের সম্পৃক্ততা থাকা সত্বেও তাকে আসামি না করায় অবাক হন হাইকোর্ট। পরে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জ সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজিমউদ্দিন আজাদকে তলব করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আগামী ৪ মার্চ স্বশরীরে হাজির হয়ে মামলার তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

