সদ্যপ্রাপ্ত সর্বশেষ সংবাদ সিদ্ধিরগঞ্জ

মতিউর রহমান মতি প্যানেল মেয়র-২ নির্বাচিত

narayanganjbarta24.com
Written by SOFT PRO IT

নারায়ণগঞ্জ বার্তা ২৪ : নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের তিনটি প্যানেল মেয়র নির্বাচনে সাংসদ শামীম ওসমান পন্থি সিদ্ধিরগঞ্জ থানা যুবলীগের আহ্বায়ক কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এই পদে আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মাসিক সভায় প্যানেল মেয়র প্রার্থীদের নাম চাওয়া হয়। এ সময় প্যানেল মেয়র ২ পদের জন্য  কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি ছাড়া আর কেউ নাম ঘোষনা না করায় সভার সভাপতিত্ব মেয়র ডা. সেলিনা হায়ৎ আইভী তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেন।

এদিকে, প্যানেল মেয়র-২ পদে মতির সঙ্গে সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিনের ছেলে ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাদরিল প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন বলে একাধিক সুত্রে গুঞ্জন ছড়ালেও শেষ পর্যন্ত তিনি আগ্রহ প্রকাশ না করায় মতি সহজেই নির্বাচিত হন। মতিউর রহমান মতির এ বিজয়ে সিদ্ধিরগঞ্জবাসী ও থানা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইতে থাকে। নগর ভবনসহ নাসিক ৬ নং ওয়ার্ডে মতির সমর্থকরা উল্লাসে ফেটে পড়েন।

জানা গেছে, প্যানেল মেয়র নির্বাচিত হন সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীসহ ২৭টি ওয়ার্ডের ২৭ জন কাউন্সিলর ও ৯টি সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে ৯ কাউন্সিলরসহ মোট ৩৭ জনের ভোটে। নির্বাচনের আগ মূহুর্তেও প্যানেল মেয়র ২ পদে নির্বাচনে ইচ্ছুক সাংসদ শামীমের আস্থাভাজন মতিউর রহমান এর বিরুদ্ধে জোর লবিং এর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। এক্ষেত্রে শামিম পন্থি হওয়ায় নির্বাচনে তাকে নিয়ে অনেকেই সংশয় প্রকাশ করেন। তবে কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি নির্বাচনে জয় নিয়ে আশাবাদি ছিলেন।

এদিকে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় মতির কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় অনেকইে বলছেন শামীমের কৌশলী রাজনৈতিক চালেই মতি বিনা বাধায় দূর্গম পথ সগহজেই পাড়ি দেন। গত কয়েকদিন ধরেই প্যানেল মেয়র নির্বাচন নিয়ে ছিল উত্তেজনায় ভরপুর। এ প্যানেল মেয়র নির্বাচনে টাকার লেনদেন হলে প্রয়োজনে ভোট স্থগিত করে দিবেন বলে আইভী ঘোষণা দিলে এর তৎপরতা আর শোনা যায়নি।

এ আগে বিগত সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নির্বাচনে কোটি কোটি টাকার লেনদেন এর অভিযোগ রয়েছে। ওই সময়কার কাউন্সিলর প্যানেল মেয়র ১ পদের জন্য সাত খুনের আসামী ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত নূর হোসেন টাকা লেনদেন করেন সবচেয়ে বেশী করে। পরবর্তিতে সাত খুনের আসামী হলে শূণ্য পদে আইভীর ঘনিষ্টজন হিসেবে ওবায়েদউল্লাহ হন প্রথম প্যানেল মেয়র।

About the author

SOFT PRO IT