জাতীয় সদ্যপ্রাপ্ত সর্বশেষ সংবাদ

৭ জেলায় বইছে শৈত্য প্রবাহ, বাড়বে আরও শীত

শীত
Written by SOFT PRO IT

নারায়ণগঞ্জ বার্তা ২৪ ( ডেস্ক রিপোর্টার ) : তুমুল বৃষ্টির পর তাপমাত্রা অনেকটা কমে গিয়ে রবিবার দেশের ৭ জেলা ও এক উপজেলায় বইতে শুরু করেছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। আগামী দিনগুলোতে শীত আরও বেড়ে শৈত্য প্রবাহ বিস্তার লাভ করতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

সর্বশেষ, গত ২৮ জানুয়ারি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্ যপ্রবাহ দেখা দিয়েছিলো। ৬ দিনের ব্যবধানে তা গত ৩ই ফেব্রুয়ারি দূরও হয়ে যায়। এরপরই দেশ জুড়ে দেখা দেয় ঝড়-বৃষ্টি। বর্ষাকালের মতো বজ্র-বৃষ্টি হয় গত শুক্রবার। বৃষ্টির প্রবণতা কমতেই বেড়ে গেছে শীত। ফের দেখা দিয়েছে শৈত্য প্রবাহ।

৬ই ফেব্রুয়ারি মাঘ মাসের ২৩ তারিখ। সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। শনিবার সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ১১ দশমি ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমে হয়েছে ৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ দশমিক ২ থেকে কমে হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শনিবার সকাল ৬টা থেকে রবিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে সামান্য বৃষ্টি হয়েছে। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি ১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিও হয়েছে তেঁতুলিয়ায়। আপাতত আর বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

সকাল থেকেই ঢাকার আকাশ মোটামুটি রোদময়। তবে হালকা মেঘও আছে। গত রাত থেকেই ঢাকায় শীতের অনুভূতি অনেকটাই বেড়ে গেছে। আবহাওয়াবিদদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলেই এখন জেঁকে বসেছে মাঘের শীত।

আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়া রবিবার জানান, নীলফামারী, পঞ্চগড়, কুঁড়িগ্রাম, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, পাবনা, মৌলভীবাজার জেলা এবং সীতাকুণ্ডু উপজেলার উপর দিয়ে মৃদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এটি অব্যাহত থাকতে পারে এবং তা পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিস্তার লাভ করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, রবিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

এ সময়ে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলেও জানান এই আবহাওয়াবিদ।

About the author

SOFT PRO IT