নারায়ণগঞ্জ বার্তা ২৪ ( ডেস্ক রিপোর্টার ) : আগামী ১১ আগস্ট থেকে ধাপে ধাপে বিধিনিষেধ শিথিল করা হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তবে বিধিনিষেধ কতটা শিথিল হবে তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর করছে বলে জানান তিনি। আজ ৮ই আগস্ট রবিবার জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামীতে দোকানপাট আস্তে আস্তে খুলে দিতে হবে। কিন্তু সবাই যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, মাস্ক পরার বিষয়টিতে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। এখন যে গণটিকাদান কর্মসূচি চলছে তা ১২ তারিখ পর্যন্ত চলবে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে কর্মজীবী মানুষকে টিকা দেওয়া হবে।
ফরহাদ হোসেন আরও বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ধাপে ধাপে সব কিছুই খুলে দেয়া হবে সীমিত পরিসরে। সে ক্ষেত্রে গণপরিবহণ, অফিস-আদালত সব কিছুই। আগামীকালের মধ্যে বিষয়গুলো পরিষ্কার হবে।
অর্থনৈতিক দিকটি মাথায় রেখে ১১ তারিখ থেকে ধাপে ধাপে সব খুলে দেওয়া হবে, তবে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে বলে জানান তিনি।
গত মঙ্গলবার সচিবালয়ে আন্ত:মন্ত্রণালয় সভা শেষে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক জানান, বিধিনিষেধের মেয়াদ ১০ই আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ১১ আগস্ট থেকে খুলবে সব ধরনের সরকারি-বেসরকারি অফিস, দোকানপাট, শপিংমল। সীমিত পরিসরে চলবে গণপরিবহণ।
তিনি আরো বলেন, ১১ই আগস্ট থেকে এই কঠোর বিধিনিষেধ আর থাকবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবকিছু ধীরে ধীরে খুলে দেওয়া হবে। তবে এই সময়ের মধ্যে সবাইকে ভ্যাকসিন নিতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, ১১ আগস্ট থেকে দোকানপাট খুলে দেওয়া হবে। ওইদিন থেকে সড়কে পুনরায় গণপরিবহণ চলাচল করবে। ১০ তারিখ পর্যন্ত বিধিনিষেধের সময়ের মতো চলবে, ১১ তারিখ থেকে খুলবে অফিস।
এর আগে গত ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ১৪ দিনের কঠোর লকডাউন দেয় সরকার। সেই লকডাউনের মেয়াদ বুধবার রাত ১২টায় শেষ হয়। বিধিনিষেধে সব ধরনের গণপরিবহন, সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ আছে। খাদ্যপণ্য উৎপাদন-প্রক্রিয়াকরণ, চামড়া পরিবহন-সংরক্ষণ ও ওষুধ খাত ছাড়া বন্ধ রয়েছে সব ধরনের শিল্প-কারখানা। তবে ১ আগস্ট থেকে রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানা খুলছে। বন্ধ রয়েছে দোকান ও শপিংমলও। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষের বাইরে বের হওয়াও নিষেধ।

