নারায়ণগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ সদর সদ্যপ্রাপ্ত সর্বশেষ সংবাদ

খেয়াঘা‌টে ক‌ঠোর হু‌শিয়ারী দি‌লেন ডি‌সি মোস্তাইন বিল্লাহ

খেয়াঘা‌টে ক‌ঠোর হু‌শিয়ারী দি‌লেন ডি‌সি মোস্তাইন বিল্লাহ
Written by SOFT PRO IT

নারায়ণগঞ্জ বার্তা ২৪ ( নিজস্ব প্রতিবেদক ) : কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করছে জেলা প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০ টি দলে বিভক্ত হয়ে বিভিন্নস্থানে নজরদারী করছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ। ২রা জুলাই শুক্রবার বিকালে লকডাউনের চিত্র দেখতে বন্দর সেন্ট্রাল খেয়াঘাট পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাইন বিল্লাহ।

এ সময় নদী পারাপারে মাঝিদের অদায়িত্বশীলতা ও মানুষের স্বাস্থবিধি মানতে অনীহা দেখে তিনি হতভাগ হন। তাই তৎক্ষনাত ঘাটে দায়িত্বরত পরিচালকদের কঠোর হুশিয়ারী দেন তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মার্জিয়া সুলতানা, সদর নৌ-থানা ও‌সি মো. শ‌হিদুল্লাহ ও অন‌্যান‌্য কর্মকর্তাগণ।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাইন বিল্লাহ বলেছেন, নারায়ণগঞ্জ একটি শিল্পনগরী এলাকা। সেক্ষেত্রে সদর-বন্দরে অসংখ্য মানুষ যাতায়াত করে থাকে। প্রচুর পরিমানে সাধারণ শ্রমিক রয়েছে। যারা সদরে এসে কাজ করে। আর এজন্যই খেয়াঘাটটি খোলা রেখেছি। আজ খেয়াঘাট যারা পরিচালনা করে তাদের সাথে কথা বলেছি। কিন্তু এরপর থেকে যাদের বৈধতা আছে তারাই পারাপার হতে পারবে। সে লক্ষ্যে শনিবার থেকে আমরা আরো কঠোর হবো। মাঝি ও ঘাট পরিচালকেদেরও ভূমিকা রাখতে হবে। এদিকে খেয়াঘাটটি সদর নৌ-থানার নিকটবর্তী হওয়ায় দায়িত্বরত অফিসার ইনচার্জ মো. শহিদুল্লাহ কেও আরো দায়িত্ববান হতে নির্দশনা দিয়ে যান জেলা প্রশাসক।

তিনি আরো বলেন, আমরা লকডাউনের প্রথম দিন থেকে সাধারণ মানুষকে সর্তক করার কাজটি করে আসছি। তবে যারা অপ্রয়োজনে বাহিরে বের হচ্ছে তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে। তাছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর ২১ টি দল কাজ করছে। ঘাটে আমাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নজরদারী রাখছে। স্বাস্থ্যবিধি মানছে না তাই নৌকাতে ৫ জন আর ট্রলারে ১৫ জন করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পারাপার করতে বলা হয়েছে। আজ ঘাটের দায়িত্বরতদের বলে গিয়েছি, যেন তারা লকডাউন বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগীতা করে, তা না হলে কাল থেকে কঠোর ব্যবস্থা নিবো। নদী পারপারেরর সময় যদি কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার পাস কার্ড কিংবা আইডি কার্ড না দেখাতে পারে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জেল, জরিমানাও করা হবে। তাই কেউ যেন অপ্রয়োজনে বাহিরে না আসে।

এরপর ঘাট পরিচালনাকারী মো. আলী, তিনিও সকল মাঝিদের ডেকে বলে দেন। যেন যারাই পারাপার হবে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। যারা  মাস্ক ছাড়া আসবে তাদের নৌকায় উঠাবেন না।

উল্লেখ্য, কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে ছুটির দিনেও থেমে নেই জেলা প্রশাসনের কর্মব্যস্ততা। দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচীতে সকাল থেকেই বিভিন্নস্থানে অবস্থান নিয়েছে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসার, সেনা সদস্যসহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ। তাই সড়কগুলোতে মানুষের চলাচল সীমিত লক্ষ করা গেলেও খেয়াঘাটে তুলনামূলক বেশী ছিল। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযানে ফিরে পায় কিছুটা শৃঙ্খলা। এতে সহযোগীতায় স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করছে স্কাউট দল ও রেড ক্রিসেন্টের কর্মীরা।

About the author

SOFT PRO IT